“
আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো।
”
”
জহির রায়হান (আরেক ফাল্গুন)
“
রাত বাড়ছে, হাজার বছরের পুরনো সেই রাত!
”
”
জহির রায়হান (হাজার বছর ধরে)
“
ওরা আমার ছেলেটাকে মেরে ফেলেছে হিরোশিমায়। আমার মাকে খুন করেছে জেরুজালেমের রাস্তায়। আমার বোনটা এক সাদা কুত্তার বাড়িতে বাঁদি ছিলো। তার প্রভু তাকে ধর্ষণ করে মেরেছে আফ্রিকাতে। আমার বাবাকে হত্যা করে মেরেছে ভিয়েতনামে। আর আমার ভাই, তাকে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে মেরেছে ওরা। কারণ সে মানুষকে ভীষণ ভালোবাসতো।
”
”
জহির রায়হান (আর কতদিন)
“
-আজকের বিকেলটা বড় সুন্দর, তাই না?
-কালও এমনটি ছিলো।
-চিরকাল যদি এমন থাকে?
-তাহলে বড় একঘেয়ে লাগবে।
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
লড়াই শুধু রাজার সঙ্গে রাজার, এক জাতের সঙ্গে অন্য জাতের আর এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশেরই হয় না। একটি মনের সাথে অন্য একটি মনেরও লড়াই হয়।
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
কালো মেয়ে সন্ধ্যার কালোয় হারিয়ে যাবে।
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
ধীরে ধীরে রাত বাড়তে লাগলো। চাঁদ হেলে পড়লো পশ্চিমে। উঠোনের ছায়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হলো। পরীর দীঘির পারে একটা রাতজাগা পাখির পাখা ঝাপটানোর আওয়াজ শোনা গেলো। রাত বাড়ছে। হাজার বছরের পুরনো সেই রাত।
”
”
জহির রায়হান (হাজার বছর ধরে)
“
-পুলিশের ভয় নেই?
--ভয়? আশ্চর্য শান্ত গলায় বলল, আমার স্বামী জেলে। ভাই জেলে। ছোট বোনটিও আমার জেলখানায়, আমার ভয় করার মতো কিছু কি আছে ?
”
”
জহির রায়হান
“
আকাশের রঙ বুঝি বারবার বদলায়
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
ছোট্ট একটা বাড়ি থাকবে তার, শহরে নয়, শহরতলীতে ; যেখানে লাল কাঁকরের রাস্তা আছে আর আছে নীল আর সবুজের সমারোহ।
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
আশ্চর্য মানুষের মন। সে যে কখন কি চায় তা নিজেও বলতে পারে না। কিসে তার সুখ আর কিসে তার অসুখ এর সত্যিকার জবাব সে নিজেও দিতে পারে না কোনদিন।
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
মা, রোজ পাঁচ বেলা যার কাছে মাথা ঠোকো, তাকে ভুলেও কি একবার জিজ্ঞেস করতে পারো না এত সাধ-আহ্লাদ দিয়ে যদি গড়েছেন তোমাদের, সেগুলো পূরণ করার মতো সামর্থ্য কেন দেননি ?
”
”
জহির রায়হান (বরফ গলা নদী)
“
বোধহয় ঝড় উঠবে আজ। প্রচন্ড ঝড়
”
”
জহির রায়হান (শেষ বিকেলের মেয়ে)
“
মাঠ ভাসলো, ঘাট ভাসলো, বাসলো বাড়ির উঠান।ঘর ভাসলো,বাড়ি ভাসলো,ভাসলো কাজির কুশান।
”
”
জহির রায়হান (হাজার বছর ধরে)
“
মাঠ ভাসলো, ঘাট ভাসলো, ভাসলো বাড়ির উঠান।ঘর ভাসলো,বাড়ি ভাসলো,ভাসলো কাজির কুশান।
”
”
জহির রায়হান (হাজার বছর ধরে)